"আযানের দু'আ"
আযানের জওয়াব দান শেষে প্রথমে দরূদ পড়বে। অতঃপর আযানের দু'আ পড়বে।
রাসূলুল্লাহ(সাঃ) এরশাদ করেন ‘যে ব্যক্তি আযান শুনে এই দু'আ পাঠ করবে, তার
জন্য ক্বিয়ামতের দিন আমার শাফা‘আত ওয়াজিব হবে’।
اَللَّهُمَّ رَبَّ
هٰذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ، وَالصَّلاَةِ الْقَائِمَةِ، آتِ
مُحَمَّدًانِ الْوَسِيْلَةَ وَالْفَضِيْلَةَ، وَابْعَثْهُ مَقَامًا
مَّحْمُوْدًا الَّذِىْ وَعَدْتَهُ -
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা রববা
হা-যিহিদ দা‘ওয়াতিত তা-ম্মাহ, ওয়াছ ছলা-তিল ক্বা-য়েমাহ, আ-তে মুহাম্মাদানিল
ওয়াসীলাতা ওয়াল ফাযীলাহ, ওয়াব‘আছ্হু মাক্বা-মাম মাহমূদানিল্লাযী
ওয়া‘আদ্তাহ’।
অনুবাদ: হে আল্লাহ!
(তাওহীদের) এই পরিপূর্ণ আহবান ও প্রতিষ্ঠিত ছালাতের তুমিই প্রভূ।
মুহাম্মাদ(সাঃ)-কে তুমি দান কর 'অসীলা' নামক জান্নাতের সর্বোচ্চ সম্মানীত
স্থান ও মর্যাদা এবং পৌঁছে দাও তাকে শাফায়াতের প্রশংসিত স্থান 'মাকামে
মাহমুদে' যার ওয়াদা তুমি তাকে করেছ।
***মুত্বাফাকুন আলাইহ; মিশকাতঃ ৫৫৭২; সুরা ইসরাঃ আয়াত-৭৯।
মনে রাখা আবশ্যক যে, উচ্চস্বরে আযান দেওয়া সুন্নত। কিন্তু উচ্চস্বরে
আযানের দু'আ পাঠ করা বিদআত। মাইকে আযানের দু'আ পাঠের রীতি অবশ্যই বর্জনীয়।
আযানের অন্য দু'আও রয়েছে।
***মুসলিম, মিশকাতঃ ৬৬১।